বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পথচলাটা অন্য অনেক রাজনীতিকের চেয়ে আলাদা। রাজনীতির মাঠে তার পরিচিতি তৈরি হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে, কিন্তু সেই পথের শুরু হয়েছিল রাজনীতির মঞ্চে নয়, শ্রেণিকক্ষে। একজন অর্থনীতির শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, পৌর চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, বিরোধী দলের মুখপাত্র, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং পরে দীর্ঘদিনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালে এসে তিনি পৌঁছেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে।
২৬ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুলের বয়স এখন ৭৮ বছর। তার জীবনের সাত দশকের বেশি সময়জুড়ে বাংলাদেশের রাজনীতি, প্রশাসন ও রাষ্ট্রব্যবস্থার নানা বাঁক প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে। তার রাজনৈতিক উত্থানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে উত্তরবঙ্গের একটি রাজনৈতিক পরিবার, ছাত্রজীবনের বামঘেঁষা রাজনীতি, সরকারি চাকরি, এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং শেষ পর্যন্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান।
বেড়ে উঠা রাজনৈতিক পরিবারে
মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক পরিচয়ের শিকড় তার পরিবারেই বিস্তৃত। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী এবং রাজনীতিক। স্বাধীনতার আগে ও পরে তিনি ঠাকুরগাঁও থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পরিবারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ। বিএনপির এই নেতা জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারের সময়ও তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজনীতির মাঠে
ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে মির্জা ফখরুল ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সময়ই তিনি সক্রিয় ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন।
তখন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে তার সক্রিয়তা ছিল। সংগঠনটির এস এম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্ররাজনীতির মাঠে তার সক্রিয়তা তার রাজনৈতিক চিন্তা ও নেতৃত্বের ভিত তৈরি করে।
কিন্তু ছাত্ররাজনীতির সেই পথ তাকে সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে নিয়ে যায়নি। বরং তিনি বেছে নেন শিক্ষকতার পেশা।
১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু হয় তার কর্মজীবন। পরে বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। সরকারি চাকরির সময় পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরেও কাজ করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাও তার জীবনে যুক্ত হয়। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সালে এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর বারীর পদত্যাগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর আবার ফিরে যান শ্রেণিকক্ষে। ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করেন এবং ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত এই পেশায় ছিলেন।
পৌর চেয়ারম্যান থেকে জাতীয় রাজনীতিতে
মির্জা ফখরুলের জীবনে বড় বাঁক আসে ১৯৮৬ সালে। ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
১৯৮৮ সালের পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তখন দেশ এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। স্থানীয় রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে।
এই সময়ই তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সময়ে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
এ পর্যায়ে তার রাজনৈতিক পরিচয় আর কেবল স্থানীয় নেতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ধীরে ধীরে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে শুরু করেন।
তিনবার পরাজয়ের পর সংসদে
ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা ফখরুল। দুই নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাদেমুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন।
দুইবার পরাজয়ের পরও তিনি নির্বাচনী রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি।
২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হন। এবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন। ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন।
বিএনপি সরকার গঠন করলে মির্জা ফখরুল প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে তাকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি সরকারের অংশ ছিলেন।
এ সময় তার রাজনৈতিক জীবনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় যুক্ত হয়, তিনি আর কেবল দলীয় নেতা নন, জাতীয় সরকারের একজন দায়িত্বশীল সদস্য।
ক্ষমতার বাইরে, কিন্তু কেন্দ্রের রাজনীতিতে
২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে পরাজয় তার কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক উত্থানকে থামাতে পারেনি।
২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে গণমাধ্যমে তার উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
তার বক্তব্যের ধরন ছিল তুলনামূলকভাবে পরিমিত। উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তিনি নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন।
২০১১ সালে বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর মির্জা ফখরুলকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ কয়েক বছর তিনি দলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তি হয়ে থাকেন।
২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন।
দীর্ঘ সময়ের মহাসচিব
বিএনপির মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুলের সময়কাল বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম অস্থির অধ্যায়ের সঙ্গে মিশে আছে।
সরকারের সঙ্গে বিরোধ, নির্বাচন, নির্বাচনকালীন সরকার, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি, রাজপথের আন্দোলন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাকে সামনে থেকে ভূমিকা পালন করতে হয়েছে।
এই সময় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সমন্বয় করে দল পরিচালনার দায়িত্বও তার ওপর ছিল।
একদিকে রাজপথের আন্দোলন, অন্যদিকে রাজনৈতিক আলোচনার টেবিল, আবার কখনো দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সব মিলিয়ে মহাসচিব হিসেবে তার ভূমিকা ছিল বহুমাত্রিক।
একজন শিক্ষকসুলভ রাজনীতিক
মির্জা ফখরুলকে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাছ থেকে দেখেছেন, তাদের অনেকের বর্ণনায় তার ব্যক্তিত্বের একটি বৈশিষ্ট্য বারবার উঠে আসে, তিনি বক্তা হিসেবে আক্রমণাত্মক হওয়ার চেয়ে যুক্তি ও ব্যাখ্যার ওপর বেশি জোর দেন।
এর পেছনে তার শিক্ষকতা জীবনের প্রভাব রয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করেন।
অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলা, সরকারি প্রশাসনে কাজ করা এবং পরে জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার রাজনৈতিক ভাষাকে একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।
তবে তার রাজনৈতিক জীবনে সংঘাতও কম ছিল না। বিরোধী দলের কর্মসূচির নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তাকে নানা সময় মামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তবু দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে টিকে থাকা তার সাংগঠনিক দক্ষতার একটি বড় প্রমাণ।
নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে থেকেও গুরুত্বপূর্ণ
মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের একটি বিশেষ বৈপরীত্য হলো, তিনি দীর্ঘদিন দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের মহাসচিব হলেও সব সময় সংসদে ছিলেন না।
২০০১ সালে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হলেও ২০০৮ সালে নির্বাচনে পরাজিত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হন। বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হলেও দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে তিনি সংসদে শপথ নেননি। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
অর্থাৎ তার রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশেই নির্বাচনী এলাকার জনপ্রিয়তার চেয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
২০২৬: জীবনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বাঁক
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি আসে ২০২৬ সালে।
বিএনপি তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
একজন রাজনীতিকের জন্য এটি ছিল বড় এক পরিবর্তন।
যে ব্যক্তি বছরের পর বছর একটি রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন, তাকে এবার দাঁড়াতে হয় দলীয় রাজনীতির অনেক ঊর্ধ্বে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদগুলোর একটি রাষ্ট্রপতি পদের জন্য।
রাষ্ট্রপতি পদ দলীয় রাজনীতির বাইরে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রতীক। ফলে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের এই পর্যায়টি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথের একটি নতুন পরীক্ষা হিসেবেও দেখা যায়।
শিক্ষক, প্রশাসক, রাজনীতিক
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনকে এক বাক্যে সংজ্ঞায়িত করা কঠিন।
তিনি একই জীবনে শিক্ষকতা করেছেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন, উপপ্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন, পৌর চেয়ারম্যান হয়েছেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন, বিরোধী দলের মুখপাত্র হয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় একটি বড় রাজনৈতিক দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার রাজনৈতিক জীবনে পরাজয় আছে, অপেক্ষা আছে, প্রত্যাবর্তন আছে। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনী পরাজয় তাকে থামাতে পারেনি। ২০০৮ সালের পরাজয়ও তাকে কেন্দ্রীয় রাজনীতি থেকে সরাতে পারেনি। বরং নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে থেকেই তিনি বিএনপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন।
অবশেষে বঙ্গভবনে
২০২৬ সালে এসে মির্জা ফখরুলের সামনে তাই নতুন একটি অধ্যায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের একটি রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া সেই তরুণ, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি করেছেন, পরে অর্থনীতির শিক্ষক হয়েছেন, সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্থানীয় রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে উঠে এসেছেন, তিনি এখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির আসন অলংকৃত করেছেন।
তার জীবনের গল্পে বাংলাদেশের গত পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গেই যেন পাশাপাশিই হেঁটেছে।
